পাঠ্য বইয়ের বাইরে জ্ঞান অর্জন
পাঠ্যপুস্তকের সীমানা পেরিয়ে বাস্তব বহুমুখী পৃথিবীর উৎস থেকে জ্ঞান অর্জন করা প্রতিটি শিক্ষার্থীর মানসিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য।
বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে কেবল জিপিএ-৫ বা পাঠ্যবইয়ের মুখস্থ বিদ্যা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ ও জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব নয়। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব জ্ঞান, দক্ষতা এবং নৈতিকতার সমন্বয়ই একজন শিক্ষার্থীকে সফল করে তোলা।
বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ের মুখস্থ বিদ্যায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে, যা তাদের মেধা ও মননের পূর্ণাঙ্গ বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।
শিক্ষাবিদদের মতে, পাঠ্যবইয়ের বাইরে প্রকৃত জ্ঞান অর্জন করতে হলে শিক্ষার্থীদের মুখস্থ বিদ্যার পরিবর্তে বাস্তব অভিজ্ঞতা, স্বশিক্ষণ ও সৃজনশীলতার ওপর জোর দিতে হবে।
আর এই সফলতা অর্জনের জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। জ্ঞান অর্জন করার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে পাঠ্যবইয়ের বাইরে সাহিত্য, বিজ্ঞান ও দর্শনের বিস্তর বই পড়া যাতে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ঘটায়।
এছাড়াও এটি শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জার্নাল ও দুর্লভ রেফারেন্স বইয়ের মাধ্যমে গবেষণার সুযোগ তৈরি করে দেয়া।
দলগত আলোচনা (Group Study) ও সুস্থ বিতর্ক চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ পায়।
আধুনিক লাইব্রেরিগুলো ই-বুক ও অনলাইন ডাটাবেজ ব্যবহারের মাধ্যমে বৈশ্বিক তথ্যের সাথে সংযোগ ঘটায়।
মনীষী প্রমথ চৌধুরীর মতে, "সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।" তাই পরীক্ষার খাতার নম্বর ভালো করার সাথে সাথে একজন শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। তবেই সমাজ ও দেশ এক দক্ষ প্রজন্ম খুঁজে পাবে। এতে আগামীদিনের ভবিষ্যৎ সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর হবে
What's Your Reaction?